পেন ড্রাইভ দিয়ে সবচেয়ে সহজে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন

আমরা অনেকে নেট বুক ব্যবহার করি । কিন্তু নেট বুকে ডিবিডি রুম না থাকায় নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার সময় আমাদের পরতে হয় বিপাকে । আর যাতে এমন বিপাকে পরতে না হয় সে জন্যই পেন ড্রাইভে কি করে উইন্ডোজ ইন্সটল করা যায় তাই আপনাদের দেখাব..

কোরআনের বাংলা অনুবাদ পাঠ ১ (সূরা আল ফাতিহা)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,প্রিয় বন্দুরা কেমন আছ,আসা করি নিশ্চয়্‌ই ভালো আছো। আজ থেকে সুরু করতে জাচ্ছি কোরআনের আরবী থেকে বাংলা অনুবাদ।.....

HTML শিখার বাংলা বই লাগবে কারু ??

HTML শিখার জন্য আমরা সবাই বই খুঁজি কিন্তু ভাল বই পাই না। যদিও পাই, তাও ইংরেজিংতে থাকে। তাহলে কি আমি বাংলায় HTML শিকতে পারবো না???? অবশ্যই পারবেন...

রসায়নের সহজ রাজ্য পাঠ-১

রসায়নের সহজ রাজ্য পাঠ-১রসায়নের সহজ রাজ্য পাঠ-২বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,প্রিয় বন্দুরা কেমন আছ,আসা করি নিশ্চয়্‌ই ভালো আছো। আমি আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে...

এখন আযান দিবে আপনার কম্পিউটার

এবার একটি অনেক সুন্দর সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি । আযান দেয়ার সফটওয়্যার (AZAAN) Pro 4.1এতে অনেক ধরণের সুবিধাদি আছে। এটা নামাজের ওয়াক্ত হলেই আপনার পিসিতে আযান দেবে।..

HTML শিখার বাংলা বই লাগবে করু ??



HTML শিখার জন্য আমরা সবাই বই খুঁজি কিন্তু ভাল বই পাই না। যদিও পাই, তাও ইংরেজিংতে থাকে। তাহলে কি আমি বাংলায় HTML শিকতে পারবো না???? অবশ্যই পারবেন। আজ আমি আপনাদের জন্য HTML শিখার একটি চরম বই নিয়ে এলাম।



HTML যারা জানেন, তারাও এই বইটি পড়তে পারেন। আর যারা জানেন না বা ইংরেজিকে ভয় পান বলে HTML শিকতে পারেন না, তারা এই বই ডাউনলোড করে নিতে পারেন।



  বইটি ডাউনলোড  করতে নিচে ক্লিক করুন





পেন ড্রাইভ দিয়ে সবচেয়ে সহজে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন


আমরা অনেকে নেট বুক ব্যবহার করি । কিন্তু নেট বুকে ডিবিডি রুম না থাকায় নতুন করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার সময় আমাদের পরতে হয় বিপাকে । আর যাতে এমন বিপাকে পরতে না হয় সে জন্যই পেন ড্রাইভে কি করে উইন্ডোজ ইন্সটল করা যায় তাই আপনাদের দেখাব ।

এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ ইন্সটল করতে আপনার যা লাগবে তা হল



  • একটি উইন্ডোজ সিডি
  • একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার
  • একটি ৮গিগা বাইট পেন ড্রাইভ এবং
  • আমার দেওয়া এই দুটি সফটওয়্যার(DVD ISO Maker এবং Universal USB Installer 1.8.6.2)

প্রথমে ডেস্কটপ কম্পিউটারের ডিবিডি রুমে উইন্ডোজ সিডিটি প্রবেশ করান । এরপর DVD ISO Maker সফটওয়্যারটি Run করান । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন




Next দিয়ে এগিয়ে যান এবং Save করুন । বেশ ISO ফ্যারমেটে তৈরি হয়ে গেল আপনার সফটওয়্যারটি । এখন তা আপনার পেন ড্রাইভে কপি করে সহজেই উইন্ডোজ ইন্সটল করতে পারেন । কিন্তু কথা হল ISO ফ্যারমেটে তৈরি করা এই ফাইলটি পিসি থেকে আপনার পেন ড্রাইভে সরাসরি কপি হবে না । এজন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে Universal-USB-Installer সফটওয়্যারটি । নিচের স্ক্রীন শর্টটি দেখুন




এখানে আপনি যে windows দিতে চান সেটি নির্বাচন করুন । আমি windows 7 দিতে চাই তাই সেটি নির্বাচন করেছি ।

নিচের আরো একটি স্ক্রীন শর্ট দেখুন



এবার যে জায়গায় ISO ফাইলটি রেখে ছিলেন তা দেখিয়ে দিন এবং সব শেষে Create দিন ।

মাশাআল্লাহ আপনার ISO ফাইলটি আপনার পেন ড্রাইভে কপি হয়ে গেল ।

এখন থেকে কোন জামেলা ছাড়াই এই প্রক্রিয়ায় পেন ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করুন ।



কি-বোর্ডের ফাংশন কি সমূহের কাজ (F1 থেকে F12 পর্যন্ত)


কম্পিউটারের কি বোর্ডের ওপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে এক ডজন কি আছে সেগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি। এসব কি একবার চেপেই বিভিন্ন সফটওয়্যারে নানা রকম কাজ করা যায়। আজ আমি আপনাদের দেখাব যে এই সব কি-য়ের কাজ কি কি । এরা কোন কোন কাজ করে থাকে । আমরা হয়ত অনেকেই জানি । তাও আবার একটু ঝালিয়ে  নেওয়া আর কি ।

  • F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে।
  • F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
  • F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
  • F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
  • F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
  • F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
  • F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।
  • F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।
  • F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।
  • F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
  • F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
  • F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

ফায়ারফক্স এর শর্টকার্ট কিবোর্ড টিপস



ফায়ারফক্স হচ্ছে সব থেকে বেশি প্রচলিত ও প্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। ব্রাউজারের দুনিয়ায় অনেক ব্রাউজার আছে তবে তাদের চেয়ে ফায়ারফক্স অপ্রতিরোধ্য কারণ এর ফিচার অন্যসব ব্রাউজার থেকে অনেক বেশী। আসুন দেখে নিই এটার বিশেষ কি কি সুযোগ সুবিধা আছে ।


স্ক্রিনে অনেক জায়গা রাখতে চাইলে- View>Toolbar>Customize> এবার ক্লিক করুন Use small icons এ। দেখুন আপনার স্ক্রিনে অনেক জায়গা বেড়ে গেছে।




কিছু কী-বোর্ড শর্টকাট:

• পেজের নিচের দিকে আসতে চাইলে- Spacebar প্রেস করুন।
• পেজের উপরের দিকে আসতে চাইলে- Shift + Spacebarপ্রেস করুন।
• ওয়েব পেজে কোন কিছু খুজতে চাইলে- Ctrl + F প্রেস করুন।
• পরের শব্দ খুজতে চাইলে- Alt + Nপ্রেস করুন।
• কোন কিছু বুকমার্ক করতে চাইলে- Ctrl + D প্রেস করুন।
• নতুন ট্যাব খুলতে চাইলে- Ctrl + T প্রেস করুন।
• সরাসরি সার্চ বক্স এ যেতে চাইলে- Ctrl + K প্রেস করুন।
• সরাসরি এ্যাডড্রেস বার এ যেতে চাইলে Ctrl + L প্রেস করুন।
• লেখাকে বড় করতে চাইলে- Ctrl + =প্রেস করুন।
• লেখাকে ছোট করতে চাইলে- Ctrl + – প্রেস করুন।
• ট্যাব বন্ধ করার জন্য- Ctrl + Wপ্রেস করুন।
• রিলোড অথবা রিফ্রেস এর জন্য- F5প্রেস করুন।
• হোম পেজে যেতে চাইলে- Alt + Homeপ্রেস করুন।


সয়ংক্রিয় ভাবে ওয়েব পেজের নাম বসাতে গেলে- ধরুন www.rubelnet.com একটি সাইটের নাম এখন এর আগে www এবং পরে যদি .com/.net/.org থাকে তাহলে যা করবেন।

• Shift + Enter- .Net এর জন্য।
• Ctrl + Enter- .Com এর জন্য।
• Ctrl + Shift + Enter- .Org এর জন্য।


আগের ট্যাব অথবা পরের ট্যাব গুলোতে নেভিগেট করতে-

• Ctrl + Tab- সামনের ট্যাব এ যেতে।
• Ctrl + Shft + Tab- পেছনের ট্যাব এ আসতে।
• Ctrl +1-9- যদি আপনার ৯টা ট্যাব খোলা থাকে তাহলে ১ থেকে ৯নং ট্যাবে যাওয়ার জন্য।


যদি History থেকে কোন পেজকে ডিলিট করতে চান তাহলে এ্যাডড্রেস বার থেকে পেজটি সিলেক্ট করে শুধু ডিলিট কি প্রেস করুন।







পোস্ট গুলি পড়তে পারেন

• কম্পিউটারের সাউন্ড নিয়ে সমস্যা ?
•কি ভাবে ব্লগস্পটে ড্রপ ডাউন মেনু করতে হয় ?
•ব্লগের পোস্টের শেষে “বিস্তারিত পড়ুন” এই লেখাটি স্থাপন করুন


কম্পিউটারের সাউন্ড নিয়ে সমস্যা ?


সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
**
প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।




** সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।

** আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।

** সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।

** আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।

** সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।

** এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।

** এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।

**স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
**সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।

** আপনার স্পীকারের সংখ্যা ৫ বা ৭ হলে আবশ্যই সাউন্ড কার্ডে তার সাপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করা থাকতে হবে। আর এজন্য ম্যানুয়াল দেখে কানেকশন ঠিকমতো লাগাতে হবে।




কি ভাবে ব্লগস্পটে ড্রপ ডাউন মেনু করতে হয় ?

আমার নিজের ব্লগ-সাইটের ড্রপ ডাউন মেনুর একটি স্কিন শর্ট ছবি


#স্টেপ ১ - প্রথমে আপনার blog site log in করেন তারপর Design > Page Element যান 






Click on Add a Gadget > HTML/JavaScript যোগ করেন তারপর content এ নিচের HTML code copy করে paste করেন > তারপর save করেন 


HTML code


<div class="menu">
<ul>
<li><a href="#">Home</a></li>
<li><a id="current" href="#">Products</a>
<ul>
<li><a href="#">Drop Down CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Horizontal CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Vertical CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Dreamweaver Menus</a></li>
</ul>
</li>
<li><a href="/faq.php">FAQ</a>
<ul>
<li><a href="#">Drop Down CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Horizontal CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Vertical CSS Menus</a></li>
<li><a href="#">Dreamweaver Menus</a></li>
</ul>
</li>
<li><a href="/contact/contact.php">Contact</a></li>
</ul>
</div>


এর পর আপনার HTML/JavaScript cursor দিয়ে ধরে post aria তে নিয়ে আসেন


#স্টেপ ২ - আবার যান Design > Edit HTML 



 
তারপর ]]></b:skin> এই code খুঁজে বের করেন আর ঠিক এর উপরে নিচে থাকা CSS code copy করে paste করুন তার পর save করুন কাজ শেষ ।

CSS code


.menu{
border:none;
border:0px;
margin:0px;
padding:0px;
font-family:verdana,geneva,arial,helvetica,sans-serif;
font-size:14px;
font-weight:bold;
color:8e8e8e;
}
.menu ul{
background:url(images/menu-bg.gif) top left repeat-x;
height:43px;
list-style:none;
margin:0;
padding:0;
}
.menu li{
float:left;
}
.menu li a{
color:#666666;
display:block;
font-weight:bold;
line-height:43px;
padding:0px 25px;
text-align:center;
text-decoration:none;
}
.menu li a:hover{
color:#000000;
text-decoration:none;
}
.menu li ul{
background:#e0e0e0;
border-left:2px solid #0079b2;
border-right:2px solid #0079b2;
border-bottom:2px solid #0079b2;
display:none;
height:auto;
filter:alpha(opacity=95);
opacity:0.95;
position:absolute;
width:225px;
z-index:200;
/*top:1em;
/*left:0;*/
}
.menu li:hover ul{
display:block;
}
.menu li li {
display:block;
float:none;
width:225px;
}
.menu li ul a{
display:block;
font-size:12px;
font-style:normal;
padding:0px 10px 0px 15px;
text-align:left;
}
.menu li ul a:hover{
background:#949494;
color:#000000;
opacity:1.0;
filter:alpha(opacity=100);
}
.menu p{
clear:left;
}
.menu #current{
background:url(images/current-bg.gif) top left repeat-x;
color:#ffffff;
}


বি : দ্র : save করার পর কখনো template পরিবর্তন করবেন না।করলে HTML brack up হয়ে যাবে ।

কাজ হলে comment করতে ভুলবেন না । পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

ফেসবুকে রুবেলনেট

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More